সকাল ৮:৫২,   শুক্রবার,   ২৭শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং,   ১৪ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ,   ১০ই শাবান, ১৪৩৯ হিজরী

বেয়াইয়ের বাড়িতে বেয়াইন, বিয়ে না করলে আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক::
স্বপনকে (বেয়াই) বিয়ে করা ছাড়া আমার কোনো উপায় নেই। আমাকে বিয়ে করবে বলে সে আমার সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। আমি তাকে ছাড়া বাঁচব না। বিয়ে না হলে আমি আত্মহত্যা করব। এভাবেই বললেন বেয়াই স্বপনের বাড়িতে অবস্থানরত বেয়াইন।

এ ঘটনাটি পাবনার চাটমোহরে নিমাইচড়া ইউনিয়নের চিনাভাতকুর গ্রামের। স্বপনের পরিবারের লোকজন বেয়াইনকে মারধর করে নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খোকনের জিম্মায় দেন। পরে ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল রাত সাড়ে ৯টার দিকে চাটমোহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

স্বপন ওই গ্রামের বৈদ্যনাথ সরকারের ছেলে। এ ঘটনার পর স্বপন বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ বছর আগে স্বপনের বড় ভাই প্রভাত সরকারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার হাদল গ্রামের জনৈক এক নারীর বিয়ে হয়। এরই সূত্র ধরে প্রভাতের শ্যালিকা হাদল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে তার ছোট ভাই স্বপনের (২২) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্বপন ও মেয়েটি বেয়াই-বিয়ানের সম্পর্কের সূত্র ধরে একাধিক স্থানে বেড়াতে যান এবং গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে মেয়েটি ছেলেটিকে বিয়ের চাপ দিলে তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খোকন জানান, মেয়েটির বয়স কম। তারা সম্পর্কে আপন বেয়াই-বেয়াইন। বিয়ে না দিলে আত্মহত্যা করবে এমন কথা বলার পর মেয়েটিকে আমি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি।

এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, মেয়েটি নাবালিকা। আত্মহত্যার হুমকি দেয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি আপনার ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ‍দিন-