সকাল ৭:৩০,   বুধবার,   ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং,   ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ,   ৪ঠা জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী

মিয়ানমারে ঔপনিবেশিক আইনে মিডিয়া দলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::
সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বলেছে, মিয়ানমার সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পেছনের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। দেশটিতে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে বাধা দিচ্ছে এবং তাদের গ্রেফতার ও হুমকিধমকি দেয়া হচ্ছে।

সোমবার এক বিবৃতিতে সিপিজে জানায়, সামরিক শাসনামলে গণমাধ্যমকে যেভাবে দমিয়ে রাখা হতো এবং হামলার মুখোমুখি হতে হতো, স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির আমলেও সেই একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সিপিজে জানায়, সম্প্রতি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যতটুকু অর্জিত হয়েছিল, নাটকীয়ভাবে সেই অবস্থা পাল্টে যাচ্ছে। যেটি দেশটির গণতন্ত্রের এই ক্রান্তিকালকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই দাতব্য সংস্থাটি জানায়, ক্রমাগত ঔপনিবেশিক আমলের দমনপীড়ন নীতি বাস্তবায়নের কারণে সাংবাদিকরা তাদের প্রতিবেদনের বিষয়বস্তুতে বৈচিত্র্য আনতে পারছেন না।

সাংবাদিক ও অ্যাকটিভিস্টরা ভেবেছিলেন, সু চি ক্ষমতায় আসার পর ঔপনিবেশিক আইনের সংশোধন আনবেন কিংবা তা বাতিল করে দেবেন। কিন্তু তার আমলেও বহু সাংবাদিককে পালিয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে হয়েছে।

এমনকি পুলিৎজার পাওয়া সাংবাদিকরাও নিজ দেশ থেকে নিরাপদে প্রতিবেদন তৈরি করতে পারছেন না। মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসের প্রতিবেদক ইসথার টুসান গত বছর দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।াসাংবাদিকদের অধিকার রক্ষাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বলেছে, মিয়ানমার সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পেছনের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। দেশটিতে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে বাধা দিচ্ছে এবং তাদের গ্রেফতার ও হুমকিধমকি দেয়া হচ্ছে।

সোমবার এক বিবৃতিতে সিপিজে জানায়, সামরিক শাসনামলে গণমাধ্যমকে যেভাবে দমিয়ে রাখা হতো এবং হামলার মুখোমুখি হতে হতো, স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির আমলেও সেই একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সিপিজে জানায়, সম্প্রতি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যতটুকু অর্জিত হয়েছিল, নাটকীয়ভাবে সেই অবস্থা পাল্টে যাচ্ছে। যেটি দেশটির গণতন্ত্রের এই ক্রান্তিকালকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই দাতব্য সংস্থাটি জানায়, ক্রমাগত ঔপনিবেশিক আমলের দমনপীড়ন নীতি বাস্তবায়নের কারণে সাংবাদিকরা তাদের প্রতিবেদনের বিষয়বস্তুতে বৈচিত্র্য আনতে পারছেন না।

সাংবাদিক ও অ্যাকটিভিস্টরা ভেবেছিলেন, সু চি ক্ষমতায় আসার পর ঔপনিবেশিক আইনের সংশোধন আনবেন কিংবা তা বাতিল করে দেবেন। কিন্তু তার আমলেও বহু সাংবাদিককে পালিয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে হয়েছে।

এমনকি পুলিৎজার পাওয়া সাংবাদিকরাও নিজ দেশ থেকে নিরাপদে প্রতিবেদন তৈরি করতে পারছেন না। মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসের প্রতিবেদক ইসথার টুসান গত বছর দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

সংবাদটি আপনার ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ‍দিন-